বিনম্র শ্রদ্ধা দ্বিজেন স্যার

দ্বিজেন স্যার
দ্বিজেন স্যার

 দ্বিজেন স্যার

৭/৮ বছর আগের কথা। হঠাৎ করেই মাথায় আসলো আমাদের গ্রামে ঔষধি গাছের বাগান দিবো। অর্জুনা অন্বেষা পাঠাগারের ছোট ভাইদের সাথে শেয়ার করতেই তারা রাজি হয়ে গেল। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁশ তুললাম।

আমি তেমন একটা গাছের নাম জানি না। কেউ একজন পরামর্শ দিলো দ্বিজেন স্যারের সাথে যোগাযোগ করতে। মনে হয় মানব জমিনের কাজল দার কাছ থেকে নম্বর নিয়ে স্যারকে ফোন দেই। খুব ভয়ে ছিলাম। কী মনে করেন। আমার পরিকল্পনার কথা বলতেই স্যার বললেন সোজা আমার বাসায় চলে আস। তারপর প্রায় ৩ ঘন্টা সময় কাটিয়েছিলাম স্যারের সঙ্গে। প্রায় ৭০/৭৫ প্রজাতির গাছের নাম লিখে দিয়েছিলেন।

মোকারম ভাই গাছ চেনার যে অনুষ্ঠানটা করতেন সেখানে শুধু স্যারের আকর্ষণে যেতাম। কেমন করে একটা গাছকে চিনতে হয়, ভালোবাসতে হয় স্যার সেটা শিখাতেন।

কোন কারণে বাগানটা করতে আমরা ব্যার্থ হয়েছিলাম। কিন্তু যে পোকাটা স্যার মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন তার ফসল হলো আমাদের স্বপ্নের কলেজের বাগানটা। কোন স্বপ্নই ব্যার্থ হয় না। সেটা কোন না কোন ভাবে বাস্তবায়ন হয়ই ।

স্যার যেখানেই থাকেন ভালো থাকবেন।

Facebook Twitter LinkedIn Email

আপনার মতামত লিখুন :