নৌকায় সোনাহাট স্থলবন্দর টু সদরঘাট

93 জন পড়েছে

আমাদের দেশটা নদী মাতৃক। অথ্যাৎ নদীই আমাদের মা। হিমালয়ের পা ধুয়া জলে প্রতিবছর প্লাবিত হয় আমাদের এই প্রিয় জন্মভুমি। প্রতি বছরই অভিশাপ হয়ে দেখা দেয় পদ্মা মেঘনা যমুনা সহ অসংখ্য নদী। আবার তার বয়ে আনা পলিতে উর্বর
হয় ভূমি। দক্ষিণে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন জমি।

যে নদীকে সর্বনাশা বলে গাল দেই। সেই হতে পারে আমাদের আর্শিবাদ। নদীর অপরুপ সৌন্দর্য হতে পারে দেশি -বিদেশি পর্যটকদের কাছে আদরণীয়। যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে নদী হতে পারে আমাদের জন্য আর্শিবাদ। ক্রমাগত সড়ক পথের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে । ফলে রাস্তায় তৈরি হচ্ছে যানজট। নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান শ্রমঘন্টা। যাতায়াত খরচও বেড়ে যাচ্ছে অনেক। সে ক্ষেত্রে নদী হতে পারে আমাদের নতুন আশার আলো।

তাই নদীকে চেনার সুযোগ করে দিতে গ্রামে ঘুরির পক্ষ থেকে আমরা আয়োজন করেছি এই ইভেন্ট। ১৫ ডিসেম্বর সোনাহাট স্থল বন্দর থেকে শুরু হবে আমাদের জলযাত্র।সব ঠিকঠাক থাকলে ১৭ ডিসেম্বর আমরা সদর ঘাট পৌঁছবো।

আবার ১৮ ডিসেম্বর সদরঘাট থেকে যাত্রা শুরু করবো আমরা। ২১ তারিখে সোনাহাট স্থল বন্দর পৌঁঁছবো আমরা।

ফলে কেউ ইচ্ছে করলে সোনাহাট স্থল বন্দর থেকে যাত্রা করতে পারেন। আবার সদরঘাট থেকে সোনাহাটেও যেতে পারেন।

রাত্রে থাকা : নৌকাতে অথবা তাবুতে( সে ক্ষেত্রে তাবু নিজেদের নিয়ে আসতে হবে)

খাবার দাবার: যাত্রা পথে নিকটে যে বাজার পাবো সেখানকার কোন হোটেলে খেয়ে নিবো।

১. সোনাহাট স্থল বন্দর থেকে সদর ঘাট –১৫-১৭ ডিসেম্বর
২. আবার সদরঘাট থেকে সোনাহাট স্থল বন্দর —-১৮- ২১ ডিসেম্বর

বি:দ্র : – ১ ও ২ এর যে কোনটিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন অথবা দুটোতেই অংশগ্রহণ করতে পারেন।

খরচ: একটিতে অংশগ্রহণ করলে খরচ পড়বে ৩৭০০ টাকা আর দুটোতে অংশগ্রহণ করলে খরচ পড়বে ৭৪০০ টাকা।

উদ্দেশ্য
১. নদী ভিত্তিক টুরিজম জনপ্রিয় করা।
২. এই নদী পথকে যেন মালামাল ও যাত্রী পরিবহনের রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয় তার জন্য জনমত গঠন করা।

যারা আগ্রহী তাদেরকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে অগ্রিম ২০০০ টাকা বিকাশ করে (অফেরতযোগ্য) নিশ্চিত করতে হবে।

বিকাশ নং : – ০১৭৫২০২৩১৭৭ ( পারসোনাল)

যোগাযোগ : ০১৭৫২০২৩১৭৭

ফেসবুক ইভেন্ট লিংক: https://facebook.com/events/1340428702747352